তামিল ইন্ডাস্ট্রির দুর্দান্ত সেরা ১০টি থ্রীলার মুভি

তামিল ইন্ডাস্ট্রির দুর্দান্ত সেরা ১০টি থ্রীলার মুভি

Ratsasan : চারিদিকে একের পর পর এক স্কুলছাত্রী নিখোঁজ হতে থাকে, নিখোঁজ হওয়ার ১/২দিন পর তাদের লাশ পাওয়া যায় হয়তো কোন ব্রিজের নিচে নয়তো কোন নোংরা জায়গায়।এই কেসের দায়িত্ব পড়ে সদ্য পুলিশে জয়েন করা ভিষ্ণু নামক এক তরুণের উপর। সে অপরাধী কে খুজতে থাকে কিন্ত অপরাধী কোন ক্লু রেখে যায়না, যা থেকে তার পরিচয় জানা যায়।কিন্ত বিষ্ণু হাল ছাড়েনা।সে দিনরাত তাকে খোজার চেষ্টা করে এবং একটা ক্লু পেয়ে যায়।সেটা নিয়েই আগায় মুভির কাহিনী।

Imaikka Nodigal : শহরে একের পর এক কিডন্যাপিং হচ্ছে,কিডন্যাপার ভিকটিমের আত্বীয় স্বজনদের ব্ল্যাকমেইল করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। সে প্রতিশ্রুতি দেয় টাকা দিলে তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে কিন্ত সে তার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে তাদের হত্যা করে। সে পুলিশ &সি আইডি কে বোকা বানায়। সে নিজেকে রুদ্রা বলে দাবি করে। কিন্ত সিঅাইডির দাবি ১ বছর আগেই এক অপারেশন এ রুদ্রার মৃত্যু হয়। এখন প্রশ্ন হলো রুদ্রা যদি মারা গিয়ে থাকে তবে কে এই সিরিয়াল কিলার??
জানতে হলে দেখে ফেলুন অসাধারণ এই থ্রীলার মুভিটি

Kuttram 23 : চেন্নাই শহরের এক স্বনামধন্য বিজনেস ম্যানের স্ত্রী হঠাৎ করেই উধাও হয়ে গিয়েছে। পুলিশ খোজ নিয়ে জানতে পারে তার স্ত্রী প্রতি সপ্তাহে চার্চে যেতো। যেদিন সে উধাও হয় সেদিন তার চার্চে যাওয়ার কথা ছিলো।কিন্ত পুলিশ খোজ নিয়ে জানে যে সেই চার্চের ফাদার খুন হয়েছে।ফাদারের লাশ তো চার্চে পাওয়া গেলো কিন্ত সেই মহিলা কোথায়??
ফাদারের লাশ পাওয়ার কিছুদিন পরে জানা যায় দূরে এক জঞ্জালযুক্ত এলাকায় তার লাশ পাওয়া যায়। কিন্ত তাকে &ফাদারকে হত্যা করার কারণটাই বা কি?খোজতে গিয়ে বের হতে থাকে একের পর এক অপরাধী চক্র
পুলিশ অফিসার চরিত্রে অরুন ভিজয়ের অভিনয় অসাধারণ ছিলো। হিরোইন হিসেবে মাহিমা নামবিয়ার ও বেশ ভালোই ছিল।এখনো না দেখে থাকলে দেখে ফেলুন এই অসাধারণ ক্রাইম থ্রিলার মুভিটি।

Vikram Vedha : ভেদা নামক এক গ্যাংস্টারকে কে আটক করার জন্য পুলিশ ফোর্সের পক্ষ থেকে একটি টাস্ক ফোর্স গঠন করা হয়।এই ফোর্সের প্রধান হিসেবে নিযুক্ত করা হয় ভিক্রম নামক এক পুলিশ অফিসার কে।তারা হঠাৎ হঠাৎ বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে অনেক ক্রিমিনালকে হত্যা করে। হঠাৎ একদিন তারা ভেদার ডেরায় অভিযান চালিয়ে অনেক অপরাধী কে ক্রসফায়ার দেয়।কিন্ত তাদের সেই ক্রসফায়ারে মারা যায় ভেদার ছোটভাই, যে কোন অপরাধের সাথে যুক্ত নয়।এই ঘটনার পর ভেদা পুলিশ স্টেশনে ধরা দেয় সেদিনের সেই অপারেশনের প্রধান কে সেটা জানতে, সেই অপারেশনের প্রধান ছিলেন ভিক্রম।কিন্ত ভিক্রমকে বাচাতে তার কাছের বন্ধু মিথ্যে বলে নিজেকে প্রধান দাবি করে। এরপর পরদিন ভিক্রমের
বন্ধুর লাশ পাওয়া যায় এক পরিত্যক্ত মিলে।
ভিক্রমের ধারণা ভেদা তার ভাইয়ের মৃত্যুর বদলা নেওয়ার জন্য তার বন্ধুকে হত্যা করে।
কিন্ত আসলেই কি ভেদা ভিক্রমের বন্ধুকে হত্যা করে?
নাকি এর পিছনে অন্য কারো হাত আছে?

মুভিতে ভিক্রমের চরিত্রে মাধভন, ভেদার চরিত্রে ভিজয় সেথুপাথি দূর্দান্ত ছিল। এছাড়াও ভিক্রমের স্ত্রীর চরিত্রে ছিলেন শ্রদ্ধা শ্রিনাথ।

Iravukku Aayiram Kangal : এক বর্ষামাখা সুদীর্ঘ রজনী তে শহরের কোন এক কোনায় কোন এক বাড়ির মেঝেতে এক তরুণির লাশ পড়ে আছে। সেই রাতে সেই বাড়িতে একের পর এক লোক আসে তাকে হত্যা করতে। কিন্ত বাড়িতে ঢুকেই তারা হতভম্ব হয়ে যায়,কারন সেই তরুনিকে আগেই কেউ হত্যা করে পালিয়ে গেছে।সেই রাতে অন্য সবার মতো শহরের এক সাধারণ ক্যাব ড্রাইভার ও গিয়েছিলো সেই বাড়িতে।
বাড়িতে প্রবেশ করেই সে বুঝতে পারে যে কিছু একটা গড়বড় আছে।তাই সে বের হয়ে যায় সে বাড়ি থেকে,কিন্ত বের হওয়ার সময় তাকে পাশের বাড়ির এক লোক দেখে ফেলে, এবং পুলিশকে খবর দেয়।
সে পুলিশকে বলে যে ক্যাব ড্রাইভারই মেয়েটির হত্যাকারী। পুলিশ হন্য হয়ে ক্যাব ড্রাইভার কে খুজতে থাকে।
কিন্ত ক্যাব ড্রাইভারই কি মেয়েটির হত্যাকারী?
নাকি এর সাথে জড়িত আছে অন্য কেউ?
ক্যাব ড্রাইভার কেনই বা সে বাড়িতে গেলো?

Thegidi : ইউনিভার্সিটি থেকে সদ্য ক্রিমিনালজি থেকে পাশ করা এক প্রতিভাবান তরুন এক গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্ট হিসেবে যোগ দেয়। সেই এজেন্সি তাদের বিভিন্ন ক্লাইন্টকে বিভিন্ন লোকজনের বিষয়ে তথ্য দিয়ে থাকে। তারা তরুনটিকে পাঠায় বিভিন্ন সম্পদশালী লোকজনের ওপর নজর রাখতে। তারা তাকে বলে যে তাদের ক্লাইন্টের ব্যাপারে কিছু জিজ্ঞেস না করতে &যাদের উপর নজর রাখার জন্য তাদের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তাদের সাথে কোন সম্পর্কে না জড়াতে।এরপর কিছুদিন পরে সে পত্রিকায় দেখলো যে, সে যাদের উপর নজর রাখছে তারাই বিভিন্ন দূর্ঘটনায় মারা যাচ্ছে।তার মনে খটকা লাগে, এগুলো কি নিছকই দূর্ঘটনা? নাকি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড??

Kaithi : এক সন্ধ্যায় পুলিশের স্পেশাল ক্রাইম ইউনিটের এক অফিসার চেন্নাইয়ের নামকরা এক গ্যাংস্টারের ভাইকে আটক করে, সেদিনই সন্ধ্যায় দিল্লি নামক এক আসামির মুক্তি পাওয়ার কথা ছিলো।তাই পুলিশ অফিসার তাকে সঙ্গে করে থানায় নিয়ে এসেছিলেন।দিল্লির উপর পুলিশের সন্ধেহ হওয়ায় তাকে পুলিশ অফিসার বেঁধে রেখেছিলেন।
অন্যদিকে পুলিশের উপর প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠে চেন্নাইয়ের সেই গ্যাংস্টার।সে পুলিশদের খাবারে পয়জন মিশিয়ে দেয়।এতে অনেক পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে মারা যান এবং গ্যাংস্টারের ভাইকে আটক করা পুলিশ অফিসার ব্যাতিত বাকি কয়েকজনের অবস্থাও খুব ঘোরতর হয়।এমন সময়ে পুলিশ অফিসারের আশংকা হয় যে,গ্যাংস্টার নিশ্চয় তার ভাইকে উদ্ধার করার জন্য থানায় হামলা করবে।উল্লেখ্য ;গ্যাংস্টারের ভাইকে দূরের এক থানায় আটকে রাখা হয়েছিলো।এই থানা থেকে সেই থানায় পৌছুতে হলে প্রায় ভোর হয়ে যাবে।
এই অবস্থায় সেই থানায় তাকে পৌঁছুতেই হবে।
কিন্ত কিভাবে??
তার ড্রাইভারও যে এখন অজ্ঞান হয়ে আছে।
এমন সময় তার নজর পড়ে দিল্লির দিকে,
সে দিল্লিকে গাড়ি চালাতে বললে দিল্লি প্রথমে
ইতস্তত করলেও পরে রাজি হয় &রওনা দেয় থানার উদ্দেশ্যে। তাদের থানায় যাওয়ার পথের ঘটনাগুলো নিয়েই আগায় মুভির কাহিনী।

Aranya kandam : ড্রাগ ডিলিং নিয়ে ড্রাগ ডিলারের সাথে মতবিরোধ হয় তার অধিনে কাজ করা এক লোকের সাথে।তাই সে তাকে মারার জন্য লোক পাঠায়।
কিন্ত লোকটি কৌশলে বের হয়ে আসে তার পাতা ফাঁদ থেকে,এরপর সে ড্রাগ ডিলারকে মারার জন্য তার মতই একটা ফাঁদ পাতে।এভাবেই আগায় মুভির কাহিনী। কাহিনি আহামরি না হলেও পুরো মুভিতে বোর হওয়ার কোন চান্স নেই।

ড্রাগ ডিলারের চরিত্রে জ্যাকি শ্রফ অসাধারণ ছিলো,এছাড়াও জয়প্রকাশ ছিলো তার অধিনে কাজ করা লোকের চরিত্রে।

Thadam : এক বৃষ্টিভেজা মধ্যরাতে এক যুবকের খুন হয়ে গেলো। খুনি ক্রাইম সিনে কোন ক্লু রেখে যায়নি।পুলিশের এক মধ্যবয়স্ক ইন্সপেক্টর কে এই কেসের দায়িত্ব দেয়া হলো।কিন্ত সে এই কেসের উপর ব্যাপারে উদাসিন ছিলো।তার থানার সাব ইন্সপেক্টর কে সে এই কেসের দায়িত্ব দেয়। তারা ইথিল নামক এক যুবককে সন্দেহ করে,তাকে আটকে রেখে নির্যাতন করে কিন্ত তার দাবি অপরাধী অন্য কেউ।
এমন সময়ে হঠাৎ করেই আবির্ভূত হও কাভিন নামের এক তরুন।সে পুরাই ইথিলের কার্বন কপি।
পুলিশরা বিভ্রান্ত হয়ে যায়।তারা তারপরও চেষ্টা চালাতে থাকে। আদৌ কি তারা খুনিকে খুজে পায়?
জানতে হলে দেখে ফেলুন অসাধারণ এই থ্রিলার মুভিটি।

Virasanai : তামিলনাড়ু থেকে তেলেঙ্গানায় আসা কিছু যুবককে মিথ্যে মামলায় ফাসিয়ে দেয় তামিলনাড়ুর পুলিশ।পুলিশের নির্মম অত্যাচারের পরেও তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে।
পুলিশ তাদের উপর অত্যাচার আরো বাড়িয়ে দেয়।
কিন্ত তারপরও তারা অস্বীকার করে।এরপরে বাধ্য হয়েই তাদের কোর্টে হাজির করা হয়,কোর্টে তাদের নির্দোষ প্রমাণিত করে ছাড়িয়ে আনে অন্য এক পুলিশ অফিসার।কেনই বা পুলিশ অফিসার তাদের ছাড়িয়ে আনলো?
আর আসল দোষিই বা কে?